আমি কীভাবে সারাদিন প্রোডাক্টিভ থাকি? | কাজের চাপের পরে ও নিজেকে ঠিক রাখা

আমি কীভাবে সারাদিন প্রোডাক্টিভ থাকি? কাজের চাপের পরে ও নিজেকে ঠিক রাখা

অনলাইন প্রফেশনালদের জন্য প্রোডাক্টিভিটি কোন ধ্রুব ব্যাপার নাহ। আপনার যদি নিজেকে সকালে প্রোডাক্টিভ মনে না হয়, তাহলে অপেক্ষা করুন দুপুর পর্যন্ত তখন দেখবেন নিজেকে ফুরফুরে লাগছে এবং কাজ করতে ইচ্ছে করছে।

অন্যান্য পেশার সাথে অনলাইন পেশাকে গুলিয়ে ফেলার কিছুই নাই, অবশ্য অনেকে আছেন যারা জবের কিংবা পড়াশোনার পাশাপাশি অনলাইন পেশাজীবী। তাদের জন্য এসব মেইনটেইন করাটা কিছুটা হার্ড হয়।

আজকে আমি আলোচনা করব, একজন অনলাইন পেশাজীবী হিসেবে আমি কীভাবে নিজেকে প্রোডাক্টিভ রাখি কিংবা নিজেকে সব সময় কীভাবে কাজের প্রতি ফোকাসড রাখি?

পড়ুন –  আমি কীভাবে একটা সুন্দর দিন কাটিয়েছি। 

 

নামাজ

Namaj for Productivity

৫ ওয়াক্ত নামাজ প্রোডাক্টিভিটি বজায় রাখার জন্য এনাফ। দিনে পাচ বার নামাজ পড়া নিয়ে পশ্চিমাদের অনেক হাসাহাসি করতে দেখেছি। আমি ধর্মীয় দিক বাদ দিয়ে বাস্তব জীবনে এর কি কি প্রভাব আছে সেটা দেখাচ্ছি।

১। মনকে একদম পবিত্র রাখে

২। নামাজের যে ভঙ্গি এবং ফিজিক্যাল যে একটা ব্যাপার সেটা যেকোন ইয়োগা বা ব্যায়ামের চেয়ে কার্যকর।

৩। সিজদার সময় দ্রুত রক্ত সঞ্চালন হয়, ফলে স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধি পায়।

৪। সারাদিন মানুষকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখে

৫। চেহারার লাবন্যতা আনে

যারা মুসলিম না, কিন্তু আমার লেখা পড়ছেন তাদের বলছি – আমরা নামাজ পড়ার আগে অযু করি। আপনারা ও কাজের পাশাপাশি দিনে কমপক্ষে ৩-৫ বার হাত মুখ ধুবেন, ধুয়ে ৫ মিনিট রেস্ট নিবেন। এটা অনেক কার্যকর।

 

রুটিন মেনে চলা

maintain routine

আমি আসলে স্পেসিফিক কোন রুটিন মেনে চলি না, আর কখনো চলার ও ইচ্ছা নাই। কিন্তু তার পরে ও আমাদের লাইফে কিছু কমন কাজ আছে যা আমাদের প্রতিদিন করা লাগে। যেমন – খাওয়া, গোসল করা, ঘুমানো, কাজ করা।

এই ব্যাপার গুলোকে নিজের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।

নিয়ম মেনে খেলে যে কি উপকার হয় সেটা আমার চাইতে ভালো কেউ বলতে পারবে না, আমি এমন এক টাইপের মানুষ ছিলাম যে, সারাদিনই কিছু না কিছু চিবাতে হত। মানে, মুখ খালি থাকা যাবে না। একবার সারাদিন খাওয়ার পরে রক্ত বমি শুরু হয়, ডাক্তার দেখাই। ওইদিনের খাবারের আইটেমে, শুটকি ভর্তা থেকে শুরু করে আইসক্রিম, পিজ্জা, বার্গার কিছুই বাদ ছিলো না।

এর পরে থেকে আমি বাইরের খাবার এবং অপ্রয়োজনে খাবার খাওয়া ত্যাগ করেছি।

কম খাওয়া এবং কম ঘুমানো সফলতার লক্ষণ। কিন্তু ফালতু কাজে জেগে থেকে নিজেকে লিজেন্ড প্রমাণ করা আর বিশাল বড় বোকামি।

অনেকে রাত জেগে কাজ করে শো অফ করে, দেখায় যে সে ফ্রিল্যান্সিং করে। এরা অন্য লেভেলের আবা*।

 

আমার চেয়ার

sofor's chair

ছবিতে আমার দুইটা চেয়ার দেখতে পাচ্ছেন। আমি আমার কাজের ৬৫% সময় ব্যয় করি কাজ করে, যেটায় আমাকে মাউস এবং কিবোর্ডে একটিভ থাকা লাগে তখন আমি ছোট চেয়ারটি ইউজ করি।

আর বাকী ৩৫% সময় ব্যয় করি নানা ব্যাপার শিখে বা আর্টিকেল পড়ে, তখন আমি বড় চেয়ারটা ইউজ করি, শুয়ে শুয়ে ভিডিও দেখার জন্য।

কাঁধের ব্যথা থেকে বাচার জন্য দুই চেয়ার পদ্ধতি।

 

কাজে ব্রেক নেওয়া

take a break (1)

 

একটানা কাজ করতে গেলে অনেকেই প্রোডাক্টিভিটি হারিয়ে ফেলেন, তাদের জন্য পরামর্শ, ম্যাক্সিমাম ২ ঘন্টা পরে পরে উঠে একটু হাটাহাটি করবেন, মুখে পানির ঝাঁপটা দিবেন আশা করি ভালো লাগবে।

 

আমার আসলে আর বেশী কিছু নেই শেয়ার করার মত, আশা করি আপনাদের ভালো লেগেছে।

ধন্যবাদ

 

আরো পড়ুন 

আমার প্রিয় ব্লগিং নিশ সমুহ

কীভাবে Quora থেকে নিজের সাইটে ভিজিটর আনা লাগে

 

4 thoughts on “আমি কীভাবে সারাদিন প্রোডাক্টিভ থাকি? | কাজের চাপের পরে ও নিজেকে ঠিক রাখা

  1. ধন্যবাদ ভাইয়া খুব সুন্দর একটা আর্টিকেল উপহার দেওয়ার জন্য 😍😍

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *